cool hit counter
সর্বশেষ প্রকাশিত

রক্ষকই ভক্ষক

হার্টের সমস্যায় ডাইজক্সিন-এর ব্যবহার নতুন নয়। বস্তুত এই জীবনদায়ী ওষুধের উপর গত ১০০ বছরের উপর নির্ভর করেছেন চিকিত্‍সকরা। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় এই ডাইজক্সিনকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে সংশয়। মনে করা হচ্ছে, এরিটাল ফাইব্রিলেশন অথবা  কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলার এর মতো হৃদযন্ত্রের সমস্যায় এই ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ ডেকে আনতে পারে হঠাত্‍ মৃত্যু।
images (1)
১৯৯৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্য পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের পর্যালোচনার উপর ভিত্তি করে ফ্র্যাঙ্কফুর্টের জে ডব্লিউ গ্যেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই দুই হৃদযন্ত্র জনিত অসুখের জেরে মৃত্যুতে ডাইজক্সিনের ভূমিকা খতিয়ে দেখেছেন। দেখা গিয়েছে, এর মধ্যে অন্তত ৩,২৬,৪২৬ জন রোগী ডাইজক্সিন প্রয়োগের পর মারা গিয়েছেন। সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, ডাইজক্সিন প্রয়োগের ফলেএরিটাল ফাইব্রিলেশন অথবা  কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলার-এর মতো সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ২১ শতাংশ মৃত্যুর আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে।

এই দুই ধরনের হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত ডাইজক্সিন প্রয়োগ করা হয়। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার মাত্রা সম্পর্কে চিকিত্‍সকদের অত্যন্ত সাবধান হতে হয়। নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় ডাইজক্সিন যেমন ফলদায়ী, তেমনই নিয়ন্ত্রণ রেখা ছাড়িয়ে গেলে তার ফল হয় মারাত্মক। এই কারণে ডাইজক্সিন ব্যবহারকারী রোগীদের নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করে তাতে ডাইজক্সিনের মাত্রার উপর নজর রাখাই বিধেয়।

গ্যেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তথা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্তেফান হনলুজার জানিয়েছেন, ‘বিভিন্ন সাক্ষ্য বিশ্লেষণের পর একটি সত্যে উপনীত হওয়া গিয়েছে: ডাইজক্সিন ব্যবহার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।’

সম্প্রতি ইউরোপীয় হার্ট জার্নালে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

Check Also

দেশে বাড়ছে অ্যাজমার প্রকোপ

জিনগত কারণ ছাড়াও নানাবিধ দূষণ ও সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগের প্রকোপ বেশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *