cool hit counter
সর্বশেষ প্রকাশিত

মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহারের স্বাস্থ্য ঝুঁকি

images (25)

খাদ্যের ভিটামিন নষ্ট করে-

যেসব খাবারে ভিটামিন বি১২ আছে যেমন মাছ,কলিজা ইত্যাদি যখন মাইক্রোওয়েভ অভেনে রান্না করা হয় তখন তা নষ্ট করে ফেলে।এছাড়া খাদ্যের ভিটামিন সি ও উচ্চ তাপে নষ্ট হয়ে যায়। মাইক্রোওয়েভ ওভেনের উচ্চতাপে ভিটামিন নষ্ট হয়ে ভিটামিন শূন্য একটি খাবার আমাদের হাতে আসে। এটা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের একটি বেশ বড় খারাপ দিক।

বুকের দুধের পুষ্টিমূল্য নষ্ট করে-

যখন বুকের দুধ মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করা হয় তখন এটি সমস্ত পুষ্টিমূল্য হারায় এবং এতে থাকা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক বা এন্টিবডিগুলো মরে যায়।

খাদ্যের সামগ্রিক পুষ্টি বিনাশ-

মাইক্রোওয়েভ ওভেনের উচ্চ তাপ বিকিরনের ফলে খাদ্যের সব ধরনের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। এটা খাবারের প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ নষ্ট করে দেয়।

খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারক উপাদান তৈরি করে-

যখন মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্লাস্টিকের বাটিতে খাবার গরম ও রান্না করা হয় তখন সেই প্লাস্টিক বাটি থেকে বিষাক্ত ক্যান্সার সৃষ্টিকারক উপাদান ছড়িয়ে খাবারে প্রবেশ করে।

রক্তের উপাদানের মাত্রায় পরিবর্তন-

মাইক্রোওয়েভ ওভেনের উচ্চ তাপে গরম করা দুধ ও সবজি রক্তের লোহিত কণিকার(RBC)মাত্রা কমায় এবং শ্বেত কণিকার(WBC) মাত্রা বাড়ায়। এছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রাও বৃদ্ধি করে।

হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন-

মাইক্রোওয়েভ ওভেন থেকে রেডিয়েশন নির্গত হয়। যাদের অনিয়মিত হৃদস্পদন ও বুকের ব্যাথা রয়েছে তাদের মাইক্রোওয়েভ ওভেনে তৈরি খাবার খাওয়া উচিত নয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়-

মাইক্রোওয়েভ অভেনে তৈরি করা পুষ্টিবিহীন ও এন্টিঅক্সিডেন্ট বিহীন খাবার নিয়মিত ভাবে খাওয়ার ফলে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে।

তাই মাইক্রোওয়েভ অভেন ব্যবহার না করাই উত্তম তবে যদি ব্যবহার করতেই হয় তবে কম তাপমাত্রা ব্যবহার করা উচিত। কোন ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত ও ব্যবহৃত ওভেন ব্যবহার করা কোনোভাবেই উচিত নয়।(collected)

Check Also

লাইবেরিয়া ইবোলা-মুক্ত: ডব্লিউএইচও

ডব্লিউএইচও’র পক্ষ থেকে এক বিবৃতে বলা হয়, “লাইবেরিয়ায় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শেষ হয়েছে।” লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *