cool hit counter
সর্বশেষ প্রকাশিত

নবজাগরণে ঠাকুরবাড়ির মেয়ে-বউরা ২

পৌলমী দাশ গুপ্ত

স্বর্ণকুমারী দেবী
স্বর্ণকুমারী দেবী

জ্ঞানদানন্দিনীর পরে ঠাকুরবাড়ির যে মেয়েটি তৎকালীন বাঙলা সাহিত্যে অবদান রেখেছিলেন তিনি স্বর্ণকুমারী দেবী। তিনিই ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মহিলা সাহিত্যিক। স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুরের পৌত্রী এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ কন্যা।তিনি তাঁর অনুজ ভ্রাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেয়ে পাঁচ বছরের বড়ো ছিলেন।

১৮৭৬ সালে স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ প্রকাশিত হয়।দীপনির্বাণ ছিল জাতীয়তাবাদী ভাবে অনুপ্রাণিত এক উপন্যাস। এরপর স্বর্ণকুমারী দেবী একাধিক উপন্যাস, নাটক, কবিতা ও বিজ্ঞান-বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা করেন। ১৮৭৯ সালে স্বর্ণকুমারী দেবী প্রথম বাংলা গীতিনাট্য (অপেরা) ‘বসন্ত উৎসব’ রচনা করেন।তাঁর অন্যান্য রচনা গুলো হল :

• উপন্যাস: দীপনির্বাণ (১৮৭৬), মিবার-রাজ (১৮৭৭), ছিন্নমুকুল (১৮৭৯), মালতী (১৮৭৯), হুগলীর ইমামবাড়ী (১৮৮৭), বিদ্রোহ (১৮৯০), স্নেহলতা (১৮৯২), কাহাকে (১৮৯৮), ফুলের মালা (১৮৯৫),বিচিত্রা (১৯২০), স্বপ্নবাণী (১৯২১), মিলনরাতি (১৯২৫),সাব্বিরের দিন রাত [১৯১২]

• নাটক: বিবাহ-উৎসব (১৮৯২), রাজকন্যা, দিব্যকমল।

•কাব্যগ্রন্থ: গাথা, বসন্ত-উৎসব, গীতিগুচ্ছ

• বিজ্ঞান-বিষয়ক প্রবন্ধ: পৃথিবী

১৮৭৭ সালে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ পারিবারিক পত্রিকা ভারতী চালু করেন। এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্বিজেন্দ্রনাথ সাত বছর এই পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন। এরপর এগারো বছর এই পত্রিকা সম্পাদনা করেন স্বর্ণকুমারী দেবী। তিনি অনাথ ও বিধবাদের সাহায্যার্থে ১৮৯৬ সালে ঠাকুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে “সখীসমিতি” স্থাপন করেন। স্বর্ণকুমারী দেবী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। রবীন্দ্রনাথের পর স্বর্ণকুমারী দেবীই ঠাকুরবাড়ির বহুমুখি প্রতিভাধারী ব্যক্তি।

Check Also

একরাতেই ব্রণ দূর !

করণীয় : ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার, ১ বা দেড় চা চামচ লেবুর রস …

৩ comments

  1. ধন্যবাদ মারুফ ডা এবং জিনিয়া আপুকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *