cool hit counter
সর্বশেষ প্রকাশিত

এপেন্ডিসাইটিস কিভাবে বুঝবেন!

সান্ত্বনা বিশ্বাস (ফার্মাসিস্ট)

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

images

একটি সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সী এপেন্ডিসাইটিস হচ্ছে এপেন্ডিক্সের প্রদাহ, যা ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত আঙ্গুলের মতো দেখতে একটি ছোট থলি। পীড়া, আঘাত বা সংক্রমণের কারণে এপেনডিক্সে প্রদাহ হয়, যাতে এপেন্ডিক্স ফুলে ওঠে এবং ব্যথার জন্ম দেয়। এপেন্ডিসাইটিস এর চিকিৎসা নেওয়া জরুরী, কেননা এর একটি জটিলতা হচ্ছে পারফোরেশন বা ফেটে যাওয়া (বার্স্ট এপেন্ডিক্স), যদি একটি সংক্রমিত এপেন্ডিক্স ফেটে যায়, সারা পেট জুড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে।

উপসর্গ:

নাভির চারদিকে প্রচন্ড ব্যথা, যেটা কিছুক্ষণ পর তলপেটের ডানপাশে যায়

– ক্ষুধামন্দা

– বমিবমি ভাব অথবা বমি হবে

– কোষ্ট কাঠিন্য বা ডায়ারিয়া

– পায়ুপথে বাতাস চলাচলে অসুবিধা

– জ্বর, তবে সাধারণত অতি উচ্চমাত্রায় নয়।

কি করবেন:

দেরি না করে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে যান। এপেন্ডিক্স তেমন জরুরি অঙ্গ না। তাই অপারেশন করে ফেলে দিলে তেমন কোন অসুবিধা হবে না। দুই ধরনের অপারেশন আছে- পেট কেটে অথবা ল্যাপারোস্কোপ দিয়ে। পেট কাটলে ৫ থেকে ১০ সেমি একটা দাগ থাকবে, ল্যাপারোস্কোপ দিয়ে করলে কোন দাগ থাকবে না। লক্ষনের সাথে রক্তের পরিক্ষায় শ্বেত রক্ত কনিকা ১১০০০ এর বেশি হলে, নিউট্রোফিল ৭৫% এর বেশি হলে ডায়াগনোসিস নিশ্চিত। আরও কিছু পরীক্ষা লাগতে পারে। অনেক সময় ব্যথার ঔষধ খেলে ব্যথা কমে যায়। কিন্তু এই ব্যথা আবার হবে। অপারেশনই একমাত্র চিকিৎসা । সময়মত অপারেশন না করলে এপেনডিক্স ফেটে গিয়ে পেটে ইনফেকশন ছড়াবে,যা থেকে রোগী মারাও যেতে পারে। এই রোগ কাদের হবে বলা যায় না। কিছু ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমি অনেকাংশে দায়ী।

Check Also

দেশে বাড়ছে অ্যাজমার প্রকোপ

জিনগত কারণ ছাড়াও নানাবিধ দূষণ ও সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগের প্রকোপ বেশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *